এর আগে ২০২০ সালে ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কোর সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু সৌদি আরব বরাবরই বলে আসছে যে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের প্রক্রিয়া ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের স্পষ্ট পথের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয় সময় রোববার প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সিবিএস নিউজের ৬০ মিনিটস অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাতকারে বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন সৌদি আরব শেষ পর্যন্ত চুক্তিতে যোগ দেবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ক্রাউন প্রিন্স যুক্তরাষ্ট্র সফরে এলে কিছু চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
দুই সপ্তাহ আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এমবিএসের সফরের সময় দুই দেশ একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক দশক ধরে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতও রয়েছে। এর আগে গত মে মাসে ট্রাম্পের রিয়াদ সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ বিক্রি করতে সম্মত হয়।
খবর-জাগো নিউজ
নিউজ বাংলা চ্যানেল