তবে শনিবার ইয়াসুকুনি মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এবং কয়েকজন মন্ত্রী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইয়াসুকুনি মন্দিরে যুদ্ধে নিহত ২৪ লাখের বেশি জাপানিকে স্মরণ করা হয়। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৪ জন দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীকেও সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণেই চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া মন্দিরটিকে জাপানের যুদ্ধকালীন আগ্রাসনের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে।
বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি জাপানের যুদ্ধকালীন ভূমিকার জন্য সরাসরি অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। তবে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনোভাবেই যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না।
এ সময় তিনি হিরোশিমা, নাগাসাকি ও ওকিনাওয়া ছাড়াও বিদেশের বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে নিহতদের স্মরণ করেন।
ইয়াসুকুনি মন্দিরে জাপানি রাজনীতিকদের সফরের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। দেশটি জাপানের বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলেছে।
দক্ষিণ কোরিয়াও এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছে। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোরিয়া ও জাপানের মধ্যে সহযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজ বাংলা চ্যানেল