দিনব্যাপী এই সফরে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরসহ পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদী উপজেলা পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
সফরসূচি অনুযায়ী, মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ, জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অনুদান ও সম্মানি প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি
সফরের শুরুতে পাকুন্দিয়া উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান। সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন তিনি। একই স্থানে মৎস্যচাষিদের মধ্যে পোনা বিতরণ ও তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর কটিয়াদী উপজেলায় যাবেন তিনি। দুপুর সাড়ে ১২টায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। পরে দুপুর ১টায় আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
দুপুর আড়াইটায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধনের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন তিনি।
এরপর বিকেল ৪টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন তারেক রহমান। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সন্ধ্যা ৬টায় কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান ১৯৯৮ সালে প্রথমবার কিশোরগঞ্জ সফর করেন। ওই সময় ভৈরব ও কুলিয়ারচরে একাধিক পথসভা ও জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিশোরগঞ্জে এবারই তাঁর প্রথম সফর। এর আগে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে গত ২২ জানুয়ারি ভৈরবে একটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে এসেছিলেন তারেক রহমান।
নিউজ বাংলা চ্যানেল