শনিবার (১৫ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নামে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছড়ানো হচ্ছে। এসব বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে আবেদন ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি ও জামানতসহ বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করা হচ্ছে।
এ ছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সরকারি বা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্মানি, অনুদান কিংবা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর, ব্যাংক হিসাব এবং বিকাশ-নগদের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্পষ্ট করেছে, অনুমোদিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ কেবল নির্ধারিত সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর, ব্যাংক হিসাব, বিকাশ, নগদ বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত আর্থিক মাধ্যমে অর্থ প্রদান করে চাকরি, সম্মানি, অনুদান কিংবা আর্থিক সহায়তা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, প্রতারকরা কখনো কর্মকর্তাদের নাম, পদবি, ছবি, স্বাক্ষর ও প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম ব্যবহার করে ভুয়া চিঠি, নিয়োগপত্র, আবেদন ফরম এবং আর্থিক সহায়তার তালিকা তৈরি করছে।
চাকরিপ্রার্থীদের কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার পর এর স্মারক নম্বর, তারিখ, পদের নাম, আবেদন পদ্ধতি ও আবেদনের শেষ সময় যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও মসজিদ কমিটির সদস্যদের কোনো সহায়তা বা সুবিধা পাওয়ার বিনিময়ে আগাম অর্থ না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন, ওটিপি, পাসওয়ার্ডসহ ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য অপরিচিত ব্যক্তি বা অনলাইন গ্রুপের সঙ্গে শেয়ার না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
প্রতারণার শিকার হলে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি বা পোস্ট, ব্যবহৃত ফোন নম্বর, স্ক্রিনশট এবং লেনদেনের তথ্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। এসব তথ্য নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অবহিত করার পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নিউজ বাংলা চ্যানেল