নিউজ বাংলা ডেস্ক : দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট রয়েছে এবং এর ফলে শিল্প উদ্যোক্তাদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথরেখা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন জ্বালানিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, শিল্প উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তিনবার তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও একটি এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ কেনার জন্য ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ। পাশাপাশি আরও তিনটি এফএসআরইউর জন্য বিনিয়োগকারী খোঁজার কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন নতুন গ্যাসকূপ খননের কাজও সরকার শুরু করেছে।
জ্বালানিমন্ত্রী জানান, ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি এফএসআরইউ ক্রয় বা স্থাপনের পরিকল্পনা সামনে রেখে সরকার কাজ করছে। একই সময়ে জ্বালানি খাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ২০২৯ সালের মধ্যে শতভাগ জ্বালানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী।
অন্যদিকে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন খাত এখন হুমকির মুখে পড়েছে। এর প্রভাবে শিল্প উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিল্প খাতকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। তাঁর ভাষায়, ব্যবসা পরিচালনা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।